শিরোনাম
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ পরিদর্শক ওসি’র উদ্যোগে যানজট মুক্ত চৌমুহনী চৌরাস্তা পিকেএসএফ-এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক কর্তৃক দাবী মৌলিক উন্নয়ন সংস্থায় আরএমটিপি’র উপ-প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা অভয়নগরে মা’র লাশ বাসায় রেখে এসএসসি পরীক্ষা দিল ছেলে বগুড়ার কৃতি সন্তান রামপুরা থানার সাব ইন্সপেক্টর মুমিনুর রহমানকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। বগুড়া গরিব দুঃখীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ। দাবী’ নওগাঁয় পিকেএসএফ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক অগ্রগতি আলোচনা সভা।  পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের দাবী মৌলিক উন্নয়ন সংস্থায় রেইজ প্রকল্প পরিদর্শন রাজশাহী বাঘার গৌরাঙ্গপুর নতুন বছরের প্রথম দিনে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পেল নতুন বই!  যারা শেখ হাসিনার দেয়া নৌকাকে অস্বীকার করছে, তারা বিশ্বাসঘাতক-মীরজাফর- বাদশা জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নতুন বছরে নতুন বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত। 
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৫৪ অপরাহ্ন

চারঘাট সদরের আইসক্রিম মামা আসাদ শিশুদের পরিচিত প্রিয় মুখ !

রিপোটারের নাম / ৩৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জুন, ২০২২

রাজশাহী ব্যুরোচীফঃ

রাজশাহীর চারঘাটের সদরের আইসক্রিম বিক্রেতা আসাদ কে চেনেনা এমন লোক পাওয়া দূর্লোভ।জীবনের প্রায় তিনযুগ কাটিয়েছে আইসক্রিম বিক্রি করে। বাকি জীবন টাও আইসক্রিম বিক্রি করে চালিয়ে যেতে চান আসাদ। মো: আসাদ আলী বয়স ৫২বছর আনুমানিক । প্রায় ৩৫ বছর ধরে চারঘাটের সদরে বিভিন্ন স্কুল কলেজের সামনে কখনো আইসক্রিম কখনো গ্রামে গিয়ে বিক্রি করেন। সম্প্রতি মহামারী করোনার প্রভাব আসদের দেহে লেগে স্তিমিত হয়ে গেছে।প্রায় বছর ধরে বন্ধ ছিল আসাদের ব্যবসা। তারপর করোনা নিম্নস্তরে এলে স্কুল কলেজ বন্ধ ছিলো। তারপরে গ্রামে গিয়ে আইসক্রিম ব্যবসা করেন । সারাদিনে আইসক্রিম বিক্রি করে যা আসে চাল ডাল কিনে বাড়ি যায় আসাদ। আইসক্রিম বিক্রি জীবন সংসার নিয়ে সুখে আছে। ৩৫ বছর আগে যারা দেখেছেন ঠিক তেমনি আছে আসাদের বয়সের বাড়ে ন্যুব্জ হয়ে যায়নি। আসাদ বেশিরভাগ আইসক্রিম বিক্রি করে তাঁর জীবন নামের রেলগাড়িটা চালিয়ে এসেছে। লালন পালন করেছে পরিবারের । আসাদ আলী চারঘাটের মিয়াপুর গ্রামে বাসিন্দা। আসাদ আজ থেকে ৩৫ বছর আগে দুশো টাকা দিয়ে আইসক্রিম ব্যবসা শুরু করেছিল প্রাথমিকভাবে জানান । শুরু প্রথম চারঘাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও পাশাপাশি চারঘাট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুলের সামনে দীর্গদিন সেখানে ব্যবসা করে এবং গ্রামে গিয়ে। তখন যা আয় হতো তাই নিয়ে পরিবারে জীবিকা নির্বাহ করতো। ব্যবসা করতো ছোট ছোট বাচ্চারা বেশিরভাগ বরফ আসাদ মামা অথবা বড়রা ভাই বলে আইসক্রিম চাইতো এখন ছেলে মেয়েদের আন্তরিকতা খবুই কম বলে জানান আসাদ । আগে ছেলে মেয়েরা অনেক সম্মান করতো । বাকি দেওয়া হতো আবার সেই বাকি আসাদ ভূলে গেলেও মনে করিয়ে টাকা ফেরত দিতো। আর এখন বাকি দিলে দুই দিনেই পুজি শেষ হয়ে যাবে বলে আসাদ জানান। হাঁসিমুখে বলেন এখনকার ছেলেদের আদব কায়দা খুব কম । অল্প তেই রেগে যায়।জীবনের শেষ সময় টুকু এই ব্যবসা করে চালিয়ে যেতে চান আসাদ। এটা করতে পারলেই শান্তি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ