শিরোনাম
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ পরিদর্শক ওসি’র উদ্যোগে যানজট মুক্ত চৌমুহনী চৌরাস্তা পিকেএসএফ-এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক কর্তৃক দাবী মৌলিক উন্নয়ন সংস্থায় আরএমটিপি’র উপ-প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা অভয়নগরে মা’র লাশ বাসায় রেখে এসএসসি পরীক্ষা দিল ছেলে বগুড়ার কৃতি সন্তান রামপুরা থানার সাব ইন্সপেক্টর মুমিনুর রহমানকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। বগুড়া গরিব দুঃখীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ। দাবী’ নওগাঁয় পিকেএসএফ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক অগ্রগতি আলোচনা সভা।  পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের দাবী মৌলিক উন্নয়ন সংস্থায় রেইজ প্রকল্প পরিদর্শন রাজশাহী বাঘার গৌরাঙ্গপুর নতুন বছরের প্রথম দিনে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পেল নতুন বই!  যারা শেখ হাসিনার দেয়া নৌকাকে অস্বীকার করছে, তারা বিশ্বাসঘাতক-মীরজাফর- বাদশা জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নতুন বছরে নতুন বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত। 
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:০৪ অপরাহ্ন

ইংরেজী ২০২৩ এর শেষ দিনে, কলকাতা নগরী ভাসলো জন জোয়ারে,

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা / ৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩

আজ ৩১শে ডিসেম্বর রবিবার, ২০২৩ শেষ, তাই সকাল থেকেই কলকাতা শহর জনজোয়াড়ে প্লাবিত, ভোর থেকে মানুষ বেরিয়ে পড়েছে রাস্তায়, এমন কোন জায়গা খালি নাই ,যে মানুষকে লাইন দিতে হচ্ছে না, ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। আজকের দিনটি উপভোগ করার জন্য। একদিকে আজ রবিবার ,সমস্ত কিছু ছুটি অন্যদিকে বছরের শেষ দিন, তাই সবাই পরিবার নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন রাস্তায়। দর্শনীয় স্থানগুলিতে, এমনকি খেলার মাঠেও, জাদুঘর, চিড়িয়াখানা , ভিক্টোরিয়া, সিনেমা হল, বিড়লা প‍্যালাটোনিয়াম, চার্চ, নিকো পার্ক , পৌষ মেলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় মানুষের ঢল এবং তারা লাইনে দাঁড়িয়ে, টিকিট কেনার জন্য।

লাইনে দাঁড়ানো কয়েকজন পরিবারের কাছে জানতে চাইলে, তাহারা জানালেন, কি করব আজ বৎসরের শেষ দিন ,আর ছুটির দিন ,তাই শেষ দিনটা একটু এনজয় করতে ছেলে মেয়েদের নিয়ে বেরিয়ে পড়েছি। কিন্তু এখানে এসে দেখি অন্যরকম। কারণ আমরা যা চিন্তা ভাবনা করে এসেছিলাম, হয়তো পুরোপুরি সম্পূর্ণ হবে না, তাই দেখা যাক ছেলেমেয়েদের নিয়ে কোথায় কোথায় ঘুরানো যায়, এই মুহূর্তে আমরা ভিক্টোরিয়ায় লাইন দিয়ে রয়েছি, এরপর আমাদের যাওয়ার কথা জাদুঘরে ,কিন্তু কখন যাব তা বুঝে উঠতে পারছি না,

আরেকজন জানালেন, আমাদেরও একই অবস্থা, আমরা ভোর চারটেই বেরিয়েছি, বর্ধমান থেকে এসেছি, কিন্তু এসে দেখি বিরাট বড় লাইন পড়ে গেছে, কতটা দেখতে পাব এটা নিয়ে আমাদের সংশয় আছে ,তবু আজ শেষ দিন দেখা যাক কি হয়।

আবার অনেক দর্শণার্থী ভিড় দেখে তারা লাইন থেকে বেরিয়ে যান এবং ছেলেমেয়েদের নিয়ে মাঠে বসে খাওয়া-দাওয়া করছেন ,বললেন এই সকল ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের নিয়ে সম্ভব নয় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা।

আজ যাহারা দেখার সুযোগ পেয়েছেন ,তারা বললেন আজ খুব এনজয় করলাম। ২০২৩ আমাদের ভালো কেটেছে, দেখা যাক ২০২৪-এ কি হয় ,তার সাথে সাথে একটি বাচ্চা মেয়ে বললেন, আমি আজ খুব আনন্দ করেছি মা-বাবার সাথেএসে ,আরো অনেক কিছু দেখবো,

যত আস্তে আস্তে দিন বাড়ে, বিভিন্ন স্থানে জমতে থাকে দর্শকের ভিড় , শুধু তাই নয় রাত বাড়ার সাথে সাথে চতুর্দিকে প্রশাসনের ব্যারিকেড পড়ে যায় এবং সতর্ক দৃষ্টি রাখেন। কারণ ঠিক রাত সাড়ে ১১ টায় শুরু হয়ে যাবে 2024 এর প্রস্তুতি, তাই সতর্ক নজরদারী রাখছেন, কোনরকম যাতে ২০২৪ এর প্রথম দিনে বড় দুর্ঘটনা না ঘটে, মোড়ে মোড়ে অফিসাররা টহল দিচ্ছেন এবং সমস্ত যানবাহন নির্দিষ্ট পথে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন, পথযাত্রীদের নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়ানোর জন্য আবেদন করছেন,।
২০২৩ কে বিদায় জানিয়ে ২০২৪ এর রাতে মেতে উঠবে কলকাতার মহানগরী ,আলোর রসনায় ও বাজির শব্দে,। আকাশে বাতাসে দেখা যাবে বাজি রঙিন আলো।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ