শিরোনাম
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ পরিদর্শক ওসি’র উদ্যোগে যানজট মুক্ত চৌমুহনী চৌরাস্তা পিকেএসএফ-এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক কর্তৃক দাবী মৌলিক উন্নয়ন সংস্থায় আরএমটিপি’র উপ-প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা অভয়নগরে মা’র লাশ বাসায় রেখে এসএসসি পরীক্ষা দিল ছেলে বগুড়ার কৃতি সন্তান রামপুরা থানার সাব ইন্সপেক্টর মুমিনুর রহমানকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। বগুড়া গরিব দুঃখীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ। দাবী’ নওগাঁয় পিকেএসএফ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক অগ্রগতি আলোচনা সভা।  পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের দাবী মৌলিক উন্নয়ন সংস্থায় রেইজ প্রকল্প পরিদর্শন রাজশাহী বাঘার গৌরাঙ্গপুর নতুন বছরের প্রথম দিনে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পেল নতুন বই!  যারা শেখ হাসিনার দেয়া নৌকাকে অস্বীকার করছে, তারা বিশ্বাসঘাতক-মীরজাফর- বাদশা জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নতুন বছরে নতুন বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত। 
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:১৩ অপরাহ্ন

পঁচিশে ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষে , কলকাতা ভাসলো জনজোয়ারে ।

শম্পা দাস ও সমরেশ রায় , কলকাতা / ৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩

২৫শে ডিসেম্বর, সোমবার, বড়দিন, আর ছুটির বাজার, প্রত্যেকেই বেরিয়ে পড়েছেন ফ্যামিলি ও ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঘুরতে, সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছে বিভিন্ন চার্চ ও দর্শনীয় স্থানে,

একটু করে বেলা বাড়ে মানুষের ঢল নামতে থাকে এবং প্রতিটি স্থানে বিশাল লাইন, বিকেলের পর থেকেই সারা কলকাতা জুড়ে যেমন একদিকে জ্যাম ,তেমনি জনজোয়ারে প্লাবিত হয়েছে, ছেলে মেয়েরা গা ভাসালো আনন্দে ,এমনটাই চোখে পড়ল,।

যদিও চার্জগুলি এবং দর্শনীয় স্থানগুলি পাঁচটা থেকে ছটার মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু দর্শনার্থীদের ভিড় এতোটুকুও কমেনি, ঘুরে বেশি বাড়তে থাকে, পুলিশ প্রশাসন হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন দর্শনার্থীদের সামলাতে ও রাস্তার মোরগুলি সামলাতে, যাতে কোনরকম দুর্ঘটনা না ঘটে,

এমনকি মেট্রো স্টেশনও এতটাই ভিড় ,অনেকেই উঠতে পারছেন না মেট্রোতে। টিকিটের লাইনও বিশাল, প্রত্যেককে বাস ধরতেও বহুক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে, কিন্তু বাসগুলিও খালি পাচ্ছেন না ,বয়স্ক দের নিয়ে যাওয়ার মতো, ট্যাক্সি ওয়ালারাও বিশাল পয়সা চাইছেন নিয়ে যাওয়ার জন্য যেখানে দেড়শ টাকা ভাড়া সেখানেই ৩৫০, ৪০০ টাকা হাকাচ্ছেন। রাত্রি সাড়ে দশটা এগারোটার পরও ভিড় কমেনি কোথাও কোন চার্জগুলিতে। তার সাথে সাথে চলছে ছুটির দিনে ছেলেমেয়েদের নিয়ে একটু মুখ পাল্টানোর স্বাদ। তাই খাবার দোকানও ভিড় এতোটুকু কম নাই এমনকি কেক সবগুলিতেও ভিড় জমিয়েছে কেনার জন্য।

আমরা সকাল আটটা থেকে রাত্রি বারোটা পর্যন্ত সংগ্রহ করতে থাকলাম, একটার পর একটা চার্চ ও দর্শনস্থান গুলি দিয়ে মানুষের ঢল কতটা,

যেমন ক‍্যাথিড্রেল চার্চ , আ্যলেন চার্চ, রবীন্দ্র সদন ,ভিক্টোরিয়া, জাদুঘর, চিড়িয়াখানা, সেন্ট পলস চার্চ প্রভৃতি দর্শনীয় স্থানগুলি ও ব্রিগেড মাঠ, কোথাও এতোটুকু খালি নাই, মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ,কোথাও বা ভিড়ে ঢুকতে পারছেন না ,এমনই অবস্থা, আবার কেউ কেউ মোমবাতি জ্বেলে প্রার্থনা ও স্মরণ করছেন যীশুকে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ